কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী জাকির হোসেন সরকারকে বিপুল ভোটে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন মুফতি আমির হামজা।
বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ফলাফল ঘোষণার পরপরই পরাজয় মেনে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিজয়ী প্রার্থীকে শুভেচ্ছা জানান জাকির হোসেন সরকার। তার এই বার্তাকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিবাচক আলোচনা শুরু হয়।
এর ধারাবাহিকতায় শুক্রবার সন্ধ্যায় মুফতি আমির হামজা কুষ্টিয়া শহরের কোর্ট স্টেশন এলাকায় জেলা বিএনপির কার্যালয়ে মিষ্টি নিয়ে যান। সেখানে তিনি জাকির হোসেন সরকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে দুই নেতা একে অপরকে মিষ্টি খাইয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। উপস্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যেও এ সময় সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ লক্ষ্য করা যায়।
সৌজন্য সাক্ষাতে আমির হামজা বলেন, “নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিষয়, কিন্তু উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করতে পারি। কুষ্টিয়ার স্বার্থে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।” তিনি নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা ভুলে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষায় সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
অপরদিকে জাকির হোসেন সরকার বলেন, “গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় জনগণ তাদের রায় দিয়েছেন। আমরা সেই রায়কে সম্মান জানাই। কুষ্টিয়ার উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে যেকোনো ভালো উদ্যোগে আমরা পাশে থাকব।”
এ সময় জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি সুজাউদ্দিন জোয়ারদারসহ উভয় দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
রাজনৈতিক ভিন্নতা সত্ত্বেও দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর এ সৌজন্য সাক্ষাৎকে স্থানীয়রা ইতিবাচকভাবে দেখছেন। অনেকের মতে, পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার এই মনোভাব ভবিষ্যতে কুষ্টিয়ার রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও বলছেন, নির্বাচনের পর এমন সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ গণতান্ত্রিক চর্চাকে শক্তিশালী করে এবং সহনশীল রাজনৈতিক পরিবেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ফলাফল ঘোষণার পরপরই পরাজয় মেনে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিজয়ী প্রার্থীকে শুভেচ্ছা জানান জাকির হোসেন সরকার। তার এই বার্তাকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিবাচক আলোচনা শুরু হয়।
এর ধারাবাহিকতায় শুক্রবার সন্ধ্যায় মুফতি আমির হামজা কুষ্টিয়া শহরের কোর্ট স্টেশন এলাকায় জেলা বিএনপির কার্যালয়ে মিষ্টি নিয়ে যান। সেখানে তিনি জাকির হোসেন সরকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে দুই নেতা একে অপরকে মিষ্টি খাইয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। উপস্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যেও এ সময় সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ লক্ষ্য করা যায়।
সৌজন্য সাক্ষাতে আমির হামজা বলেন, “নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিষয়, কিন্তু উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করতে পারি। কুষ্টিয়ার স্বার্থে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।” তিনি নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা ভুলে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষায় সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
অপরদিকে জাকির হোসেন সরকার বলেন, “গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় জনগণ তাদের রায় দিয়েছেন। আমরা সেই রায়কে সম্মান জানাই। কুষ্টিয়ার উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে যেকোনো ভালো উদ্যোগে আমরা পাশে থাকব।”
এ সময় জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি সুজাউদ্দিন জোয়ারদারসহ উভয় দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
রাজনৈতিক ভিন্নতা সত্ত্বেও দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর এ সৌজন্য সাক্ষাৎকে স্থানীয়রা ইতিবাচকভাবে দেখছেন। অনেকের মতে, পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার এই মনোভাব ভবিষ্যতে কুষ্টিয়ার রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও বলছেন, নির্বাচনের পর এমন সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ গণতান্ত্রিক চর্চাকে শক্তিশালী করে এবং সহনশীল রাজনৈতিক পরিবেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
প্রতিনিধি :